ইগোগ্রাম টেস্টের ফলাফল
দিক হারিয়ে ফেলে এমন নিম্ন-উদ্যম টাইপ
ভালো জীবন চাওয়ার মন আছে, কিন্তু বাস্তবে দিক ঠিক করার শক্তি আর তা বাস্তবায়নের শক্তি - দুটোই কম বলে সহজেই একই জায়গায় ঘুরপাক খায় - এমন টাইপ। মন সঙ্কুচিত, বিচারশক্তিও দুর্বল, তাই কী বদলাতে হবে তা বুঝলেও কাজের দিকে তা এগোয় না অনেক সময়। ফলে নিজের পথে চলার বদলে আশপাশের চোখ-মুখ দেখে বা কারও ওপর ভর করে টিকে থাকার ধারা তৈরি হয়। নিজের ওপর আস্থা কম হওয়ায় অন্যের প্রতিক্রিয়াতেও অতিরিক্ত দুলে যেতে পারে। তবু এই টাইপও বদলাতে পারে। ছোট বিষয় থেকে নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া, বাস্তবকে শান্তভাবে বিচার করা, আর আবেগকে সুস্থভাবে প্রকাশ করার অনুশীলন জমতে থাকলে জীবনের দিক আবারও গড়া সম্ভব।
প্রেমিক/প্রেমিকা, জীবনসঙ্গী - সম্পর্ককে সক্রিয়ভাবে চালানোর বদলে নির্ভরশীল বা সঙ্কুচিত আচরণ দেখা যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ববোধ আর জীবনযাপনের স্থিরতা একসঙ্গে বাড়ছে কি না, তা দেখা জরুরি। ব্যবসায়িক গ্রাহক, অংশীদার - বিচার ধীর আর সিদ্ধান্ত পিছোনোর প্রবণতা থাকলে, লেনদেন দমবন্ধ মনে হতে পারে। কাজের পরিসর আর দায় স্পষ্ট করে ধীরে যাচাই করার পদ্ধতি ভালো। ঊর্ধ্বতন - সম্ভাবনা খুব বেশি না হলেও, ঊর্ধ্বতন হলে চালিকাশক্তি আর দিকনির্দেশের অভাব মনে হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজে যাচাই করে পূরণ করে নেওয়ার মনোভাব দরকার। সহকর্মী, অধস্তন - প্রতিযোগিতামূলক বা খুব দ্রুতগতির পরিবেশের চেয়ে তুলনামূলক স্থিতিশীল ও কাঠামোগতভাবে স্পষ্ট পরিবেশে বেশি মানাতে পারে। চাপের চেয়ে ধাপে ধাপে সহায়তা আর স্পষ্ট মানদণ্ড বেশি কার্যকর।